sristymultimedia.com

ঢাকা, বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬


শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

১১:৩৯এএম, ২১ জুলাই ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক (শেরপুর) : উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শেরপুর সদর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদের শেরপুর অংশের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভাঙন দিয়ে পানি প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে।

শেরপুর সদর, শ্রীবরদী ও নকলা উপজেলার আরও ১৫টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। এতে ১৫টি ইউনিয়নের ৬০ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

শেরপুর-জামালপুর সড়কের পোড়ার দোকান এলাকার কজওয়েটি ছয় থেকে সাত ফুট পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় শেরপুর-ঢাকা এবং উত্তরবঙ্গের সঙ্গে এ পথে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠায় জেলার ৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। জেলায় ত্রাণ তৎপরতা অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন বানভাসি মানুষ। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাল ও নগদ টাকা বন্যার্তদের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।

এখন পর্যন্ত কোন চিকিৎসা সেবা ও আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়নি। শেরপুর-জামালপুর সড়কের ব্রহ্মপুত্র বীজ পয়েন্টে পানি বিপদ সীমার দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় হুইপ ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আতিউর রহমান ভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের জানান, মানুষের ঘরে ধানের অভাব নাই। কিন্তু তা চাল করা যাচ্ছে না।

তাই সরকারের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার ও চাল ডাল বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দুর্গতদের ভয়ের কোনও কারণ নাই, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা তাদের পাশে আছি।

অপরদিকে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর পানি কমে যাওয়ায় ওই দুই উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা পিকন কুমার সাহা বলেন, বন্যায় উপজেলার ১৫ হাজার কৃষকের রোপা আমন বীজতলা, আউশ ধানের ক্ষেত, সবজি ও পাটের আবাদকৃত এক হাজার ৩৩০ হেক্টর জমি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

বিজনেস আওয়ার/২১ জুলাই, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

তিন বিভাগে পেট্রলপাম্প ধর্মঘট
তেল বিক্রি বন্ধ, অচল হয়ে যেতে পারে সড়কপথ

উপরে