sristymultimedia.com

ঢাকা, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬


ব্যাংকিং খাতে দুর্নীতি বন্ধের রুলের রায় কাল

০৪:০৪পিএম, ০২ নভেম্বর ২০১৯


বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বন্ধে তদন্ত কমিশন গঠন এবং ঋণখেলাপিদের ২ শতাংশ সুবিধা নিয়ে জারি করা রুলের রায় রোববার (৩ নভেম্বর)। সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে রোববারের কার্যতালিকায় ১৯ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেবেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজমালুল হোসেন কিউসি, ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) রিট আবেদনটি দায়ের করে। আইনজীবী মনজিল মোরসেদ এইচআরপিবির প্রেসিডেন্ট। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংককে ঋণখেলাপিদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বন্ধে তদন্ত কমিশন গঠনের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না ও এই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়। পরে গত ২৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংক সিলগালা করে ঋণখেলাপিদের তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করে। সিলগালা থাকায় ঋণখেলাপিদের নাম প্রকাশ হয়নি।

এরমধ্যে গত ১৬ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে খেলাপি ঋণের ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলে এইচআরপিবির সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২১ মে ওই বিজ্ঞপ্তির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।

এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ২ জুলাই আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত ৮ জুলাই পর্যন্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন। ৮ জুলাই এ স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানো হয়। আপিল বিভাগ তখন বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চকে রুল নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন।

বিজনেস আওয়ার/০২ নভেম্বর, ২০১৯/এ

উপরে