businesshour24.com

ঢাকা, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ৫ মাঘ ১৪২৬


টিসিবি'র গুদামে নষ্ট হচ্ছে ভালো পেঁয়াজ

১০:১৪এএম, ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার (চট্টগ্রাম প্রতিনিধি) :যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) গুদামে নষ্ট হচ্ছে ভালো পেঁয়াজও। চট্টগ্রামে সাধারণ মানুষের কাছে যে পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি, তার ৩০ শতাংশই নষ্ট থাকছে।

এক কেজি পেঁয়াজের মধ্যে গড়ে ৩০০ গ্রাম পেঁয়াজ নষ্ট পাচ্ছেন চট্টগ্রামের ক্রেতারা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে এভাবে পচা পেঁয়াজ পাওয়ায় টিসিবির ওপর ক্ষোভও ঝাড়ছেন তারা।

পচা পেঁয়াজ বিক্রি করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন টিসিবির ডিলাররাও। কয়েক জায়গায় ক্রেতাদের সঙ্গে ডিলারের নিয়োগকৃত কর্মচারীদের হাতাহাতিও হয়েছে। ডিলাররা বলছেন, প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ কেজি পেঁয়াজ নষ্ট পাচ্ছেন তারা।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামে একজন ডিলারকে প্রতিদিন এক হাজার কেজি পেঁয়াজ দিচ্ছে টিসিবি। নগরীর ১২টি পয়েন্টে এভাবে ১২ টন বা ১২ হাজার কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছেন তারা প্রতিদিন।

টিসিবির বিক্রি করা পেঁয়াজ আনা হয়েছে বিমানপথে কিংবা সমুদ্রপথে। সমুদ্রপথে মিসর ও তুরস্ক থেকে আনা হয় রেফার্ড কনটেইনারে। এটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশেষায়িত কনটেইনার। ৪০ ফুট দীর্ঘ একটি কনটেইনারে সাধারণত ২৭ থেকে ২৮ টন পেঁয়াজ আনা হয়। কার্গো বিমানে আসা পেঁয়াজও থাকে বিশেষায়িত অবস্থায়। এ জন্য বিমান ও সমুদ্রপথে পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা খুবই কম। ব্যবসায়ীরাও বলছেন, মিয়ানমারের পেঁয়াজের গুণগতমান কিছুটা খারাপ থাকলেও মিসর কিংবা তুরস্কের পেঁয়াজ পচা থাকে না। কিন্তু টিসিবির ক্ষেত্রে ঘটছে উল্টো ঘটনা।

জানতে চাইলে টিসিবি চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান ও উপ-ঊর্ধ্বতন কার্যনির্বাহী জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, 'পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা খুব কঠিন। মিসর ও তুরস্ক থেকে আসা পেঁয়াজের মান ভালো। কিন্তু পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় আমরা গুদামে ভালোভাবে তা সংরক্ষণ করতে পারছি না। সীমিত জনবল দিয়ে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি। তারপরও হয়তো কিছু পেঁয়াজ নষ্ট হচ্ছে। ডিলাররা যতটা দাবি করছে, নষ্ট পেঁয়াজের পরিমাণ অতটা হবে না।'

বিজনেস আওয়ার/৫ ডিসেম্বর, ২০১৯/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে