ঢাকা, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০ ফাল্গুন ১৪২৬


আজও জামিন হলো না খালেদা জিয়ার

০১:৩২পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আমাদের প্রত্যেকের আলাদা মতামত আছে। এটা কিন্তু আমাদের সর্বসম্মত আদেশ। জামিন আবেদন খারিজ। তবে খালেদা জিয়া সম্মতি দিলে তার বায়োলজিক্যাল চিকিৎসার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে মেডিকেল বোর্ড।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন ও জয়নুল আবেদীন।

এর আগে সকাল সোয়া ১০ টায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চে আপিল শুনানি শুরু হয়। এ সময় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মেডিক্যাল বোর্ডের পাঠানো প্রতিবেদন আদালতের কাছে পেশ করেন।

জানা গেছে, শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতিসহ ছয় বিচারপতি খাস কামড়ায় যান। সেখানে শুনানি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আবার এজলাসে আসেন। এরপর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানির আবেদন খারিজ করে দেন।

এর আগে চ্যারিটেবল মামলায় ৩১ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করেছিলেন। পরে ১৪ নভেম্বর হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন তার আইনজীবীরা।

আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ১৪০১ পৃষ্ঠার ওই আপিল আবেদন দাখিল করা হয়। ওই আপিলের শুনানি নিয়ে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন চেয়ে মামলার কার্যক্রম বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) পর্যন্ত মুলতবি করেছিলেন আপিল আদালত।

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫-এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন।

এর আগে দুর্নীতির আরেক মামলা, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা করে। ওইদিন রায়ের পরপরই তাকে পুরাতন ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫ বছরের সাজার বিরুদ্ধে করা দুদকের রিভিশন আবেদন গ্রহণ করে ৩০ অক্টোবর তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন হাইকোর্ট।

বিজনেস আওয়ার/১২ ডিসেম্বর, ২০১৯/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলা
৭১ বারেও ফিরে গেল তদন্ত প্রতিবেদন

৫ জনকে হয়রানি না করার নির্দেশ
জামিন পেলেন প্রথম আলোর সম্পাদক

উপরে