ঢাকা, রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০ ফাল্গুন ১৪২৬


রোজার আগে ২ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি

১০:৫৮এএম, ০৩ জানুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : বাজারে নতুন মুড়িকাটা পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। সঙ্গে আছে পেঁয়াজসহ পেঁয়াজ পাতা, আরও আছে পেঁয়াজের কলি। মাঠে আছে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ, যা ক্রমশই মাঠ থেকে কৃষকের ঘর হয়ে বাজারে আসবে। মাঠের পেঁয়াজ বাজারে আসা অব্যাহত থাকবে এপ্রিল ও মে মাস পর্যন্ত। দেশের বাজারে পেঁয়াজের এত সরবরাহের পরও এই নিত্যপণ্যটির আমদানি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুধু তাই নয়,ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সরকারি উদ্যোগে আরও দুই লাখ টন পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পেঁয়াজ ফেব্রুয়ারির শেষে অথবা মার্চের প্রথম দিকে দেশে এসে পৌঁছানো শুরু হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,দেশের বাজারে এখন পর্যাপ্ত পেঁয়াজ থাকার পরও সরকারের পেঁয়াজ আমদানির এমন সিদ্ধান্ত মূলত আসন্ন রমজান মাসকে কেন্দ্র করে। আর মাত্র তিন মাস পর এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেই রমজান শুরু হতে পারে। প্রতিবছর সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সংযমের এই মাসটিকে ঘিরে নানা ছুঁতোয় নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় দেশের ব্যাবসায়ীরা। চাহিদা থাকায় আর সব পণ্যের সঙ্গে দাম বাড়ে পেঁয়াজেরও। ২০১৯ সালে পেঁয়াজের দাম হঠাৎ অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় নানা চেষ্টার পরও সরকার তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি।দেশি পেঁয়াজ বাজারে উঠলেও এখনও এর দাম ১২০ টাকার নিচে নামেনি। ফলে আসন্ন রমজানে ব্যবসায়ীরা একই ছুঁতোয় যাতে পণ্যটির আর দাম বাড়াতে না পারে সেজন্যই পণ্যটির আমদানি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন সূত্র জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে প্রতি মাসে পেঁয়াজের চাহিদা দুই থেকে আড়াই লাখ টন হলেও রোজার মাসে এ চাহিদা দাঁড়ায় প্রায় পাঁচ লাখ টনে। যদিও একই সময় দেশি পেঁয়াজে বাজার ও কৃষকের ঘর ভরপুর থাকবে। তারপরও পেঁয়াজ নিয়ে গত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে রোজাকে সামনে রেখে কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বিজনেস আওয়ার/৩ জানুয়ারি,২০২০/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে