ঢাকা, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬


মানিকের জীবনকে পর্দায় আনছেন আফজাল

০১:৪১পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২০

বিনোদন ডেস্ক : যেখানেই তিনি নাম লিখিয়েছেন, সেখানেই সফল হয়েছেন। মঞ্চ, টেলিভিশন কিংবা চলচ্চিত্র- সব মাধ্যমে অভিনয় দিয়েই দর্শকমনের বড় জায়গা দখল করে নিয়েছেন অভিনেতা, নির্মাতা আফজাল হোসেন। এমনকি বিজ্ঞাপনচিত্র আর নাটক নির্মানেও মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন তিনি। এবার তিনি নির্মাণ করছেন ডকু ফিকশন।

রাজধানীর উত্তরায় সোমবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে ডকু ফিকশনের শুটিং। বাঙালি কালজয়ী লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনকে কেন্দ্র করে তৈরি এই ডকু ফিকশনের নাম রাখা হয়েছে 'মানিকের লাল কাঁকড়া'।

এ প্রসঙ্গে আফজাল হোসেন বলেন, একটি ডকু ফিকশন বানাচ্ছি। গতকাল থেকে সেটিরই শুটিং শুরু হয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন ফেরদৌস ও সোহানা সাবা। মানিকের লাল কাঁকড়া' দুই ঘণ্টা ব্যাপ্তির।বাংলাদেশ শিশু একাডেমির অনুদানে নির্মিত এই ডকু ফিকশন লিখেছেন আনজীর লিটন ও চিত্রনাট্য করেছেন মাসুম রেজা।

স্বামী, স্ত্রী ও তাদের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে এই ডকু ফিকশনের গল্পটা এগিয়েছে।এটি বাণিজ্যিকভাবে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়া হবে না। তবে দেশের বাইরের বিভিন্ন উৎসবে পাঠানো হবে। এটিকে খুব সিরিয়াসধর্মী একটি কাজ। এটি বাচ্চাদের জন্য তৈরি হচ্ছে।মানিক বন্দ্যোপধ্যায়কে কেন্দ্র করে তৈরি হলেও এটি তাঁর জীবনী নয়।

খুব আলাদা ধরনের গল্প। আমার জন্য খুবই রোমাঞ্চকর একটি কাজ। এটা না ফিচার ফিল্ম, ইটস নট আ বায়োপিক—আবার এটিতে থাকবে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জীবনী। আমরা বায়োপিক বুঝি, ফিচার ফিল্ম বুঝি—সেই জায়গা থেকে এটা একেবারে নতুন ধরনের একটি কাজ।

এই ডকু ফিকশনে মুহিত নামের একজন লেখকের চরিত্রের অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

এ প্রসঙ্গে ফেরদৌস বলেন, এর আগে আমি শিশুতোষ সিনেমায় কাজ করেছি, কিন্তু এ ধরনের ডকু ফিকশনে কাজ করিনি। শিশু একাডেমি থেকে যখন আমাকে জানানো হলো, তখন ভালো লাগে। তার ওপর যখন শুনলাম আফজাল হোসেনের মতো একজন ব্যক্তিত্ব বানাবেন—তা তো বিরাট প্রাপ্তি। খুবই সুন্দর একটি গল্প।

নাগরিক একটি জীবন ও গ্রামের একটি জীবনকে ডিজাইন করে এখনকার বাচ্চাদের জীবনযাপন দেখানো হয়েছে। মানিক বন্দ্যোপধ্যায়ের শৈশবের একটি অংশ এই ছবিতে প্রাধান্য পেয়েছে। আমাদের সন্তানেরা যারা ফ্ল্যাট কালচারে বড় হচ্ছে, তাদের সঙ্গে প্রকৃতির যোগাযোগ একেবারে নেই, সেদিকটাই আমার কাছে আকর্ষণীয় লেগেছে। ইট–কাঠ–পাথরে বেড়ে ওঠা বাচ্চাদের যে প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ থাকা দরকার—এ ব্যাপারটাই গল্পের মধ্যে ভীষণভাবে আছে।

বিজনেস আওয়ার/২৮ জানুয়ারি, ২০২০/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে