করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
৪৯
১৯
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
১৭৭
৭৪১০৩০
৩৫১১৪

ঢাকা, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২০, ১৭ চৈত্র ১৪২৬


সবজিতে স্বস্তি, বেড়েছে চাল ও পেঁয়াজের দাম!

১১:০৪এএম, ৩১ জানুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক : রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা নিম্নমুখী সবধরনের সবজির দাম। সবজিভেদে কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে দাম। তবে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে চাল ও পেঁয়াজের বাজার। এদিন দেশি পেঁয়াজ ১৪০ টাকায় ও পাকিস্তানি পেঁয়াজ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত তিনদিন আগেও যেখানে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়।

গত সপ্তাহের মতো চালের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা করে চালের দাম বেড়েই চলেছে। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬০ টাকা, নাজিরশাইল ৮৫ থেকে ৬০ টাকা, বিআর-২৮ ৩৮ টাকা, স্বর্ণা ৩৩ টাকা, পুরাতন চিনিগুঁড়া চাল ১১৫ টাকা এবং নতুন চিনিগুঁড়া চাল ৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

টাউনহলের চাল ব্যবসায়ী ওমর ফারুক বলেন, দাম বাড়ার বিষয়টি মিল মালিকরাই ভালো বলতে পারেন। বাড়তি দামে কিনেছি তাই বাড়তি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। চালের দাম বাড়ার ফলে আমাদের ক্রেতা কমে গেছে। আমরা ব্যবসায়ীরাও সমস্যার মুখে পড়ছি।

নাহিদ হাসান নামে এক ক্রেতা বলেন, বেশির ভাগ সময়ই বাজার অস্থিতিশীল থাকছে। বাজারে কোন না কোন পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। পেঁয়াজের দাম কিছুটা কম ছিল আবার বাড়তে চলেছে, চালের বাজার অস্থির। সব মিলিয়ে দাম বাড়ায় ক্ষতিগ্রস্ত আমরা সাধারণ ক্রেতারা।

শীত মৌসুম হওয়ায় সব ধরনের শীতকালীন সবজি বাজারে পর্যাপ্ত রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি নতুন আলু ৩০ টাকা, বেগুল মান ভেদে ৬০-৮০ টাকা, শিম ৫০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৩০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, ঢেঁড়শ ১৪০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, শসা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩৫-৪০ টাকা, লাউ ৮০-১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, পেঁয়াজের কলি ১০ টাকা আঁটি বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মুনসুর বলেন, বেশির ভাগ সবজির দাম বাড়েনি, গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। তবে বেগুন, লাউসহ কিছু সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ যথেষ্ট রয়েছে বলে জানান তিনি।

বাজার করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, প্রতিদিন বাজারে ইচ্ছেমতো জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। বাজার পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ নেন। খেতে হবে তাই বাড়তি দাম হলেও কিনতে হয় ক্রেতাদের।

টাউনহল বাজারের মুদি ব্যবসায়ী সুমন হোসেন জানান, মসলার বাজার অস্থিতিশীল রয়েছে। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে এলাচের, বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হয়েছে ৫০০০ টাকায়, জয়ত্রী ৪০০০ টাকা এবং দারুচিনি ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ইলিশের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় দাম কমেছে সবধরনের মাছের। বাজারে ডিমের দাম না বাড়লেও কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়ে প্রতিকেজি বয়লার ১৩০ টাকা, লেয়ার ২২০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৮০ টাকা, সোনালি ২৬০ থেকে ২৮০ কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা, খাসির মাংস ৭৮০ টাকা, বকরির মাংস ৭২০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে।

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল চাল ও মসলার বাজার। খোলা সয়াবিন (লাল) বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা লিটার, খোলা সাদা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা লিটার। অপরিবর্তিত আছে সরিষার তেল।

বিজনেস আওয়ার/৩১ জানুয়ারি, ২০২০/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে