করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
৫৬
২৬
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
১৮০
৯৮১২২১
৫০২৩০
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০, ২০ চৈত্র ১৪২৬


২০২০ সালের পরীক্ষায় ‘১৮ সালের প্রশ্ন!

১১:২০এএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ নীলফামারী ও ঠাকুরগাঁওয়ে এসএসসি’র প্রথম দিনে বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি কেন্দ্রে ভুল প্রশ্ন দেওয়ার ২০ মিনিট পর কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন পাল্টে দেন। আর নীলফামারীর রাবেয়া বালিকা বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রেও একটা ঘটনা ঘটে। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় দিয়ে পুনরায় ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়।

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র দিয়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু করা হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ২০ মিনিট পার হলেও পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের বাইরে না আসলে অভিভাবকরা চিন্তায় পড়ে যান। পরে, পরীক্ষার্থীরা বের হলে অভিভাবকেরা জানতে পারেন প্রকৃত ঘটনা।

পরীক্ষার্থীরা জানায়, বাংলা প্রথমপত্রের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্র পেয়ে উত্তর লেখা শুরু করলে, পরে দেখা যায় এটি ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র। প্রায় ২০ মিনিট পর শিক্ষকদের বলার ২০২০ সালের প্রশ্নপত্র দেয়।

এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব সালেহা খাতুন বলেন, অসাবধানতাবশত কয়েকটি কক্ষে ২০১৮ সালের প্রশ্নপ্রত্র গেলে তা দ্রুত সমাধান করা হয়। পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ভুলবশত কয়েকটি রুমে নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার সময় ২০১৮ সালের ‘গ’ সেটের প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়।

এদিকে, নীলফামারীতে রাবেয়া বালিকা বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। কেন্দ্রের ৬২০ পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে ২০১৮ সালের সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষার্থী ছিল শুধু একজন। ওই একজন পরীক্ষার্থীর জন্য বাংলা প্রথমপত্রে ১২০টি প্রশ্নপত্র পান কেন্দ্র সচিব। ৯৮ পরীক্ষার্থী জানায়, তারা যে খাতায় ২০১৮ সালের প্রশ্নে পরীক্ষা দিচ্ছিল সেটিতেই তাদের বাড়তি পেজ লাগিয়ে দিয়ে ২০২০ সালের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। পুরনো সিলেবাসের উত্তরগুলো কেন্দ্র সচিব লাল কালি দিয়ে কেটে দেন। এতে তারা রেজাল্ট নিয়ে শঙ্কা করেন।

এ ব্যাপারে কেন্দ্র সচিব ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাফিজুর রহমান খান জানান, ২০২০ সালের সিলেবাসে ৬১৯ জন এবং ২০১৮ সালের পুরনো সিলেবাস অনুযায়ী একজনসহ মোট ৬২০জন পরীক্ষার্থী ছিল।

তিনি বলেন, ২০২০ সালের ৬১৯ জন পরীক্ষার্থীর বিপরীতে একহাজার ২০টি প্রশ্নপত্র এবং ২০১৮ সালের পুরনো সিলেবাসের একজন পরীক্ষার্থীর জন্য ১২০টি প্রশ্নপত্র বরাদ্দ পাওয়া যায়। কেন্দ্রের ৮ ও ৫ নম্বর কক্ষে ২০২০ সালের পরীক্ষার্থীদের কাছে ২০১৮ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র ভুলবশত ৯৮ জনের কাছে সরবরাহ করা হয়।

পরীক্ষা চলাকালীন এক ঘণ্টা পর ওই কক্ষের পরীক্ষার্থী নীলফামারী কালেক্টরেট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী সেলিম রেজা বিষয়টি ধরতে পারেন। সে ওই কক্ষে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষককে অবগত করে। এরপর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ৯৮ পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রশ্নপত্র ফেরত নিয়ে নেই।

জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, বিষয়টি নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে পরীক্ষার নির্ধারিত সময়ের ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিট পর ২০২০ সালের প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয় তাদের। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে কার ভুলে এমন ঘটনাটি ঘটেছে।

বিজনেস আওয়ার/ ৪ ফেব্রুয়ারি,২০২০/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের দাবি
শাহবাগে ফের বিক্ষোভ, কঠোর কর্মসূচীর হুঁশিয়ারি

উপরে