করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
৪৯
১৯
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
১৭৭
৭৪১০৩০
৩৫১১৪

ঢাকা, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২০, ১৭ চৈত্র ১৪২৬


রিজার্ভ চুরি: আন্তঃদেশীয় তদন্তে অসহায় সিআইডি

০১:৫৩পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় বাংলাদেশ অংশের তদন্ত শেষ হলেও শিগগিরই চার্জশিট দিতে পারছে না সিআইডি। এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত ফিলিপাইন, চীন, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের তথ্য দিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট দেশগুলো। একারণে ওইসব দেশের অপরাধীদের বিষয়ে তদন্তে তেমন কোনও অগ্রগতি নেই। ফলে এ মামলার চার্জশিট কবে দেওয়া হবে, সে বিষয়টিও অনিশ্চিত। তবে ওইসব দেশ তথ্য দিলে তিন মাসের মধ্যেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছে সিআইডি।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিকভাবে রির্জাভ চুরির মামলা ভালোভাবে তদন্ত শেষ করতে ফিলিপাইন, চীন, শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়া সরকারের কাছে কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের কাছ থেকে কোনও ধরনের সাড়া মিলছে না। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তথ্য দিলে তিন মাসের মধ্যে এই মামলার চার্জশিট দেওয়া সম্ভব বলে জানান এই কর্মকর্তা।

এদিকে, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করা মামলায় তদন্ত সংস্থা সিআইডি ৪১তম তারিখেও আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী তারিখ ধার্য আছে।

সিআইডির কর্মকর্তারা বলেন, রির্জাভ চুরি ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাংলাদেশিদের শনাক্ত করা হয়েছে। সেখানে কার কী ভূমিকা ছিল সেটাও নিশ্চিত হওয়া গেছে। চার্জশিটে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন অনেক কর্মকর্তার নাম থাকবে বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ফিলিপাইনসহ চার থেকে পাঁচটি দেশের কাছে তথ্য চেয়েছি। তারা না বলেনি। কিন্তু তথ্যও দিচ্ছে না। তাই আমরা তাদের তথ্যের জন্য অপেক্ষা করছি। তবে ওইসব দেশ যদি তথ্য নাও দেয়, তারপরও আমরা চার্জশিট দেবো। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন অনেকের নাম থাকবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে (ফেড) রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়।

পাঁচটি সুইফট বার্তার মাধ্যমে চুরি হওয়া এ অর্থের মধ্যে শ্রীলঙ্কায় যাওয়া দুই কোটি ডলার ফেরত আনা হয়েছে। তবে ফিলিপাইনে যাওয়া আট কোটি ১০ লাখ ডলার জুয়ার টেবিল ঘুরে হাত বদল হয়। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ চুরির সঙ্গে দেশের ভেতরে কোনও একটি চক্রের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হয়।

সাইবার জালিয়াতির মাধ্যমে রিজার্ভের অর্থ চুরির এই ঘটনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ মতিঝিল থানায় মামলা দায়ের করেন।

বিজনেস আওয়ার/ ৪ ফেব্রুয়ারি,২০২০/আরআই

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে