করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
১৬৪
৩৩
১৭
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
২১১
১৩,৪৯,৮৭৭
৭৪,৮২০
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০, ২৪ চৈত্র ১৪২৬


ফিটনেসবিহীন গাড়ি বন্ধে টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

০২:৪১পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক :সারাদেশে ফিটনেসবিহীন, নিবন্ধনহীন, চলাচলের অযোগ্য অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা এবং এসব গাড়ি বন্ধে আইন অনুসারে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এজন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিআরটিএ এবং পুলিশের সমন্বয়ে প্রতিটি জেলায় একটি ট্রাস্ক ফোর্স গঠন করতে বলা হয়েছে। জনপ্রশাসন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও সড়ক পরিবহন সচিব আদালতের নির্দেশনা পালন করতে হবে। এছাড়া টাস্কফোর্সের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিতে ডিসিদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আদালতে বিআরটিএর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মইন ফিরোজী ও অ্যাডভোকেট রাফিউল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ফিটনেসবিহীন, আনফিট ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ ও নতুন সড়ক আইন-২০১৮ বাস্তবায়নে সারাদেশে প্রত্যেক জেলায় টাক্সফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।বিআরটিএ আজ আদালতকে জানায় তারা জনবল সংকটের কারণে ফিটনেসবিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে পারছেন না। তারা টাক্সফোর্স গঠনের আবেদন করেন। এজন্য হাইকোর্ট টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন।

এই টাক্সফোর্স সব গাড়ির কাগজপত্র যাচাই করতে পারবে এবং ফিটনেসবিহীন, আনফিট ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি আটক, চালককে গ্রেফতার, জরিমানা ও গাড়ি ডাম্পিং করতে পারবে। এই আদেশের অগ্রগতি প্রতিবেদন আগামী তিন মাস পর হাইকোর্টকে জানাতে বলেছেন। আগামী ১ জুন এই রুলের পরবর্তী শুনানির জন্য ধার্য করা হয়েছে।

গাড়ি ও চালকের লাইসেন্স এবং ফিটনেসবিহীন গাড়ি সংক্রান্ত একটি ইংরেজি দৈনিকে গত ২৩ মার্চ প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব। এরপর ওইদিন আদালত রুলসহ আদেশ দেন।

রুলে ফিটনেসবিহীন গাড়ি, রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়ি ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানোর বিষয়ে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, পাশাপাশি সংবিধানের ৩২ ধারার আলোকে জীবন বাঁচার অধিকার বাস্তবায়নে কেন মোটর ভেহিক্যাল আইন ১৯৮৩ এর বিধানগুলো সঠিকভাবে পালনের জন্য কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

রুলের বিবাদীরা হলেন- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের আইজি, চেয়ারম্যান বিআরটিএ, ঢাকার ডিসি ট্রাফিক (উত্তর ও দক্ষিণ), বিআরটিএ ডিরেক্টর (রোড নিরাপত্তা) ও দুদক চেয়ারম্যান।

বিজনেস আওয়ার/১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলা
৭১ বারেও ফিরে গেল তদন্ত প্রতিবেদন

উপরে