ঢাকা, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০, ১৫ চৈত্র ১৪২৬


বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

০২:০৩পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদক (যশোর): বেনাপোলের ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) স্টাফদের বাণিজ্যিক কাজে ভারতীয় পেট্রাপোল বন্দরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির দুইদিন পর বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে সন্তোষজনক আলোচনায় বাণিজ্য সচল হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে ওই পথে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল।

এ ব্যাপারে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, দু'দিন আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় সরকারের প্রায় ৩০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় ব্যাহত হয়েছে। আর ১০ কোটি টাকার বেশি লোকশান হয়েছে ব্যবসায়ীদের।

বেনাপোল স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের ব্যাংক বিষয়ক সম্পাদক হায়দার আলী খান বলেন, আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত আগের নিয়মে দুই পাশের স্টাফ সদস্যরা কাস্টমস পারমিট নিয়ে যাতায়াত করবে। এর মধ্যে দুই পক্ষ আর একবার আলোচনায় বসে স্থায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল বলেন, ব্যবসায়ীরা যাতে তাদের আটকে থাকা পণ্য দ্রুত খালাস নিতে পারেন, তার জন্য সংশিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্পাদনে বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে কাস্টমস পারমিট নিয়ে যাতায়াতকারী সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ সদস্যদের যাতায়াত বন্ধ করে দেয় বিএসএফ সদস্যরা। ফলে বন্ধ হয়ে যায় আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য।

জানা গেছে, প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৪ থেকে সাড়ে ৪০০ ট্রাক বিভিন্ন পণ্য আমদানি এবং দেড়শ থেকে ২০০ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়ে থাকে। আমদানি পণ্যের মধ্যে শিল্পকারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক ও খাদ্যদ্রব্য রয়েছে।

রপ্তানি পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য উল্লেখ্যযোগ্য। প্রতিবছর এ বন্দরে আমদানি পণ্য থেকে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে। প্রতিবছর এ বন্দরে আমদানি পণ্য থেকে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পেয়ে থাকে।

বিজনেস আওয়ার/২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে