করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
৪২৪
৩৩
২৭
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
২১১
১৬,০১,০১৮
৯৫,৬৯৯
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০, ২৭ চৈত্র ১৪২৬


না ফেরার দেশে ক্রিকেটের দুঃসময়ের কাণ্ডারি

১২:৪৫পিএম, ২২ মার্চ ২০২০

স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশের ক্রিকেটের শুরুর কাণ্ডারি ছিলেন তিনি। কাজ করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রথম কার্যনির্বাহী সম্পাদক হিসেবে। সেই রেজা-ই-করিম চলে গেলেন না ফেরার দেশে। রোববার (২২ মার্চ) ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। রেজা-ই-করিম রেখে গেছেন স্ত্রী ও এক সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী।

তার ছেলে নাজমুল করিম জানিয়েছেন, বাবা কয়েক দিন ধরেই একটু বেশি অসুস্থ ছিলেন। আজ ফজরের সময় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। আজ ফার্মগেটের বাইতুশ শরফ জামে মসজিদে বাদ জোহর রেজা-ই-করিমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

পাকিস্তান আমলে ঈগলেটস দলের খেলোয়াড় থাকা অবস্থাতেই তার সংগঠক হিসেবে কাজে জড়িয়ে পড়া। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ক্রিকেটকে প্রায় 'শূন্য' থেকে যারা শুরু করেছিলেন, তাদের মধ্যে একজন ছিলেন রেজা-ই-করিম।

তিনি যে সময় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কার্যনির্বাহী সম্পাদক হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন, তখন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের একটি কক্ষে ছিল ক্রিকেটের কার্যালয়। আসবাবপত্র হিসেবে ছিল একটি করে টেবিল-চেয়ার আর একটি স্টিলের আলমারি। সেখানেই রাখা হতো দেশের ক্রিকেটের সব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।

১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ পাওয়ার পেছনেও তার অবদান আছে। ১৯৭৭ সালে বিখ্যাত মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) বাংলাদেশ সফর করে। সেটিই ছিল কোনো বিদেশি ক্রিকেট দলের প্রথম বাংলাদেশ সফর।

এমসিসিকে যে আমন্ত্রণপত্রটি পাঠানো হয়েছিল, সেটির খসড়াও করেছিলেন রেজা-ই-করিম। দেশের মাটিতে এমসিসির বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। সংগঠক-আম্পায়ারিং ছাড়াও রেজা-ই-করিম আশির দশকে জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

নীতিমান এ সংগঠক ১৯৮৬ সালে আইসিসি ট্রফিগামী বাংলাদেশ দল নির্বাচন নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতদ্বৈততায় পদত্যাগও করেছিলেন। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তিনি বোর্ডের কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বহুদিন ধরেই বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন দেশের ক্রিকেটের দুঃসময়ের অন্যতম এই সংগঠক। দুটি কিডনিরই কার্যক্ষমতা বেশির ভাগই হারিয়েছিলেন। মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণেও আক্রান্ত হয়েছিলেন একবার। সঙ্গে ছিল শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ। ক্যানসারেও আক্রান্ত ছিলেন। মণিপুরী পাড়ার বাসায় তার জীবনের শেষ দিনগুলি কেটেছে ওষুধ আর চিকিৎসকের সান্নিধ্যেই।

বিজনেস আওয়ার/২২ মার্চ, ২০২০/এ

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

উপরে