করোনাভাইরাস লাইভ আপডেট
বাংলাদেশ
আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
৪২৪
৩৩
২৭
সূত্র:আইইডিসিআর
বিশ্বজুড়ে
দেশ
আক্রান্ত
মৃত্যু
২১১
১৬,০১,০১৮
৯৫,৬৯৯
সূত্র: জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য।

ঢাকা, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০, ২৭ চৈত্র ১৪২৬


কার্ডে কেনাকাটায় বাড়তি সুবিধা

০৩:২৫পিএম, ২৫ মার্চ ২০২০

বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ কাগজের নোটে করোনার ঝুঁকি রয়েছে। তাই করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এখন তাদের গ্রাহকদের এটিএম ও ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহিত করছে। বেশির ভাগ ব্যাংকই গ্রাহকদের মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তথা স্মাট অ্যাপ, এটিএম এবং ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন করার অনুরোধ করেছে। ডিজিটাল লেনদেনে গ্রাহকদের উৎসাহিতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে করোনার কারণে ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিক লেনদেনে কোনো ধরনের চার্জ না কাটার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে গ্রাহকরাও কার্ডভিত্তিক লেনদেনে আগ্রহী হচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিটি ট্রানজেকশনে দোকানদারের কাছ থেকে একটা চার্জ কাটা হয়, যাকে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) বলা হয়। এটা মার্চেন্ট সার্ভিস চার্জ (এমএসএফ) নামেও পরিচিত। পস মেশিন সরবরাহকারী ব্যাংকে এই চার্জ দিতে হয়।

অন্যদিকে প্রতিটি ট্রানজেকশন থেকে কার্ড ইস্যুয়িং ব্যাংকেও একটা চার্জ দিতে হয়, যা ইন্টারচেঞ্জ রিইমবার্সমেন্ট ফি (আইআরএফ) নামে পরিচিত। এই চার্জটা পস মেশিন সরবরাহকারী ব্যাংক থেকে কার্ড ইস্যুয়িং ব্যাংক পেয়ে থাকে। অর্থাৎ এটা কাস্টমারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয় নয়।

তার পরও কাস্টমারের কাছ থেকে দোকানিরা এই চার্জ আদায় করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন অবস্থায় করোনার কারণে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের এক সার্কুলারে এমডিআর ও আইআরএফ চার্জ না কাটার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ওই সার্কুলারে বলা হয়, দেশের অভ্যন্তরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য এবং ওষুধ ক্রয়ের ক্ষেত্রে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে দৈনিক সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা এবং মাসিক সর্বোচ্চ এক লাখ টাকার লেনদেনের ক্ষেত্রে সীমা প্রযোজ্য হবে না। তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর দাবি, কেবল জুয়েলারির মোবাইল এবং ইলেকট্রনিকস আইটেম পণ্যের ক্ষেত্রে দোকানিরা এমডিআর চার্জটা কাস্টমার থেকে আদায় করে। আর ওষুধের দোকান বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্টোরে কেনাকাটায় কাস্টমার থেকে এমডিআর নামে কোনো চার্জ কাটা হয় না।

এদিকে করোনার ঝুঁকি এড়াতে এনএফসি সুবিধাযুক্ত কার্ডের লেনদেন সীমা তিন হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে পাঁচ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধ বিক্রয়কারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নিজ নিজ ব্যক্তিগত হিসাব, এসএফএস হিসাব, এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাব ও পিএসপি হিসাবকে ব্যাবসায়িক লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা যাবে। এনএফসি সুবিধাযুক্ত কার্ডের বৈশিষ্ট্য হলো—এটা পস মেশিনে ঢোকানোর প্রয়োজন হবে না, পস মেশিনের সামনে নির্দিষ্ট দূরত্বে রেখেই পেমেন্ট করা যায়। এরই মধ্যেই ইবিএল, সিটি ব্যাংক, ইউসিবি, মিউচুয়াল ট্রাস্টসহ আরো কিছু ব্যাংক এই প্রযুক্তির কার্ডসেবা চালু করেছে।

বিজনেস আওয়ার/২৫ মার্চ,২০১৯/কমা

এই বিভাগের অন্যান্য খবর

লকডাউন এলাকায় ব্যাংকের শাখা বন্ধ রাখার নির্দেশ
ব্যাংকের লেনদেন ও খোলা রাখার সময় কমল

উপরে