বিজনেস আওয়ার প্রতিবেদকঃ নাফ নদী এখন ইয়াবা কারবারিদের নিরাপদ রুটে পরিণত হয়েছে। নদীর গভীরতা কম থাকায় এবং বিজিবি ক্যাম্প অনেক দূরে হওয়ায় নাফ নদী দিয়ে খুব সহজেই ইয়াবা কারবারিরা যাতায়াত করতে পারছেন। গত এক বছরে এ এলাকা থেকে ২৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। এ কাজে জড়িত থাকায় ১৯১ জনকে আটক করা হয় এবং বন্দুকযুদ্ধে ১১ জন ইয়াবা কারবারি নিহত হন। যাদের বেশির ভাগই রোহিঙ্গা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পালংখালী ইউনিয়নের একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, উপজেলাটি সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ায় রোহিঙ্গাদের সাথে যোগসাজশে পালংখালী ইউনিয়নের অনেকেই ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে। তিনি বলেন, সংরক্ষণ ও বিক্রি করার মতো সুযোগ আছে বলেই রোহিঙ্গারা সক্রিয় হয়ে ইয়াবা কারবারির সাথে জড়িত হয়ে পড়ছে।

পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নুরুল আবছার চৌধুরী বলেন, ‘গত দুই মাস আগে তার ভাতিজা নাজমুল রোহিঙ্গাদের ইয়াবা চালান নিয়ে আসতে দেখে বাঁধা দেয়। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তার পায়ে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যান। অস্ত্রধারী রোহিঙ্গারা রাতের বেলায় সীমান্ত এলাকায় অবাধ বিচরণ করায় রাতে স্থানীয়দের চলাফেরায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।’

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে.কর্নেল আলি হায়দার আজাদ আহমদ জানান, ‘সীমান্তে ইয়াবা পাচার প্রতিরোধে বিজিবি আগের তুলনায় অধিক দায়িত্বপালন করছে। সীমান্ত এলাকায় জনবল তুলনামূলক কম হওয়ায় চোরাচালানরা খুব সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে।’

বিজনেস আওয়ার/৭ জানুয়ারি,২০২০/আরআই